বেসামাল গতির জেরেই বাড়ছে বিপদ!

জোনাকি পণ্ডিত: গতি সামলাতে না পেরে একটা গোটা বাস স্ট্যান্ড উড়িয়ে দিল ট্রাক। শুক্রবার সকালে ইকোপার্কের কাছে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। গাড়ী দৌড়ায় না, যেন ঘোড়া দৌড়ায়। গতির দৌড় নিয়ন্ত্রণে আনতে না পেরেই বিপত্তি। তবে নিউ টাউনের ইকোপার্ক হয়ে বিমানবন্দরের দিকে যাওয়ার রাস্তায় সম্প্রতি এক কিলোমিটার অন্তর স্পিড মিটার বসেছে। তবুও ফাঁক তাল বুঝে রাস্তায় ঝড়ের গতিতে উড়ছে গাড়ি।

শুক্রবার সকালে ইকোপার্ক মিষ্টি হাবের কাছে একটি বাস স্ট্যান্ড উড়িয়ে দিল ঝড়ের গতিতে আসা ট্রাক চালক। বাস স্ট্যান্ডটি উড়িয়ে প্রায় ৫০ মিটার দূরে নিয়ে গিয়ে ফেলল ট্রাকটি। সকাল সাড়ে ছটা নাগাদ ট্রাকটি সেক্টর ফাইভ এর একটি বিপণী থেকে সামগ্রী বোঝাই করে বিমানবন্দরের কার্গোতে যাচ্ছিল। গতি ঠিক রাখতে না পেরে ঘটে এই দুর্ঘটনা। ট্রাক চালক দাবি করেছেন, তিনি নির্ধারিত গতিসীমার মধ্যেই গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তবে পুলিশ আধিকারিকরা মনে করছেন, গাড়ির গতি কমপক্ষে ঘন্টায় ৭০ অথবা ৮০ কিলোমিটার না থাকলে একটি গোটা বাস স্ট্যান্ড এভাবে উড়ে গিয়ে ৫০ মিটার দূরে ছিটকে পড়ত না।

সম্প্রতি কিছুদিন আগেই সল্টলেকের চিংড়িহাটা অঞ্চলে পর পর বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটে। যার জেরে আহত হন বেশ কিছু মানুষ। মৃত্যুও হয় কয়েকজনের। চিংড়িহাটায় দুর্ঘটনা নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী কড়া ধমক দেন আধিকারিকদের। সেইসাথে কলকাতা পুলিশ এবং বিধাননগর পুলিশকে তীব্র ভর্ত্‍সনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপরই তত্‍পর হয়ে পুলিশ ও প্রশাসন ওই অঞ্চলের দুর্ঘটনা রুখতে একগুচ্ছ পদক্ষেপ নেয়।

close