তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন নিন ঘরোয়া পদ্ধতিতে

অন্বেষা দাস- তৈলাক্ত ত্বক এখনকার দৈনন্দিন জীবনের একটা বড় সমস্যা। দূষণের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে আর তার সাথে বেড়ে চলেছে ত্বকের সমস্যাও। পিম্পেলের সমস্যা‌ এর মধ্যে অন্যতম। তৈলাক্ত ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে পিম্পেলের সমস্যা মূলত বেশি দেখা যায় এবং রোজকার ব্যস্ত জীবনে এটির পরিচর্যা করাও খুব দরকার।

ত্বকের এই সমস্যা দূরীকরণের কয়েকটি উপায় হল –

#️⃣লেবু – লেবুতে উপস্থিত সাইট্রিক অ্যাসিড ত্বকের তেল নিয়ন্ত্রিত করে এবং ত্বকে উপস্থিত বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়াও প্রতিরোধ করে। যার ফলে পিম্পেলের সমস্যা অনেকটা‌ কমে যায়।
#️⃣মধু – মধুতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল উপাদান রয়েছে। যার ফলে ত্বকের ময়েশ্চরাইজারের স্তর ঠিক থাকে ও সাথে সাথে মধু ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতেও সাহায্য করে। নিয়মিত ব্যবহারের ফলে তৈলাক্ত ত্বকের পিম্পেলের সমস্যাও অনেকটা কমে যায়।
#️⃣বেসন- বেসনে আছে বিরাট পরিমাণে প্রোটিন ও ভিটামিন যা ত্বকের পক্ষে অত্যন্ত ভালো। এটি ত্বকের অতিরিক্ত জল শুষে নেয় এবং ত্বককে উজ্জ্বল করে।
#️⃣দই -দই এ থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন- এ ও ভিটামিন- সি যা ত্বকের নমনীয়তা বজায় রেখে ত্বককে নরম করে তোলে। পিম্পেলের সমস্যা মেটাতে এটি একটি অত্যন্ত কার্যকরী উপাদান।

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য কিছু ঘরোয়া টিপস-

🛑 অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো।
🛑রোজ নিয়ম করে ৯-১০ গ্লাস জল অবশ্যই খাওয়া প্রয়োজন।
🛑 দিনে একবার অন্ততপক্ষে একটি করে মৌসুমী ফল খেতে হবে।
🛑বাইরের ধুলোবালি যাতে ত্বকে না রয়ে যায় তার জন্য প্রত্যেক সময় বাইরে থেকে এসে জল দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিতে হবে।
🛑 সপ্তাহে অন্তত একদিন করে ত্বকে গরম জলের স্টিম নিতে হবে, এতে ত্বকরন্ধ্র শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারে।
🛑ত্বকের পক্ষে ক্ষতিকর এইরকম কোনো জিনিসের প্রয়োগ করা যাবে না।

তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যা বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। কিন্তু সেগুলি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ত্বকের যত্ন নিতে হবে এবং কেমিক্যাল জাতীয় জিনিস যত কম ব্যবহার করা যায় ততই ত্বকের পক্ষে ভালো। এছাড়া উপরের উল্লেখিত উপকরণগুলি যেমন লেবু-মধু ও দই-বেসন এগুলি একসাথে ফেস প্যাকের মাধ্যমেও সপ্তাহে এক/দুই বার ব্যবহার করা যেতে পারে।

close