প্রাণ বাঁচাতে মানুষই ভরসা !

মৃগাক্ষী বিশ্বাস: বাঘের আক্রমণ থেকে বাঁচতে মানুষের কাছে পালিয়ে এলো হরিণ। ঘটনা ঘটে সুন্দরবনের সজনেখালি রেঞ্জের পিরখালি জঙ্গলে। আহত হয়ে হরিণটি পালিয়ে আসে লাহিড়ীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের জেমসপুর গ্রামে। হরিণটি পালিয়ে যাওয়ায় বাঘ করতে থাকে। তবে জনবসতি অঞ্চলে আসার সাহস হয়নি বাঘটির। গ্রামবাসীরা পঞ্চায়েত প্রধানকে খবর দেন। হরিণটিকে বন দফতরের হাতে তুলে দেওয়া হয়। হরিণটি এখন চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।

সুন্দরবনে বিগত বাঘ সুমারিতে বাঘের সংখ্যা উঠে এসেছিল ৯৬। বাঘের পায়ের ছাপ ও মল সংগ্রহ করেই বাঘের সংখ্যা নির্ধারণ করা হত। পরে ক্যামেরা বসানো থাকতো। এক একটি জায়গায় দু’টি করে ক্যামেরা বসাতে হয় যাতে একটি বাঘ বাঘের দুই দিকের ছবি ক্যামেরাবন্দি হতে পারে। প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কীভাবে জঙ্গলে ক্যামেরা বসানো হবে এবং তা হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ক্যামেরায় ওঠা ছবির মাধ্যমেই তা পর্যালোচনা করা হয়।

ডিসেম্বরের ৫ তারিখ থেকে সুন্দরবন ব্যাঘ্র প্রকল্প এলাকায় প্রথম ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হবে। কাজ শেষ করতে হবে ৩৫ দিনের মধ্যে। ড্রোন ব্যবহার করা হবে। সুন্দরবন ব্যাঘ্র প্রকল্প এলাকাতে মোট ১১৬২ টি ক্যামেরা বিশেষ ধরনের ক্যামেরা বসানো হবে। যার মধ্যে ৮০০ টি ক্যামেরাই আবার নিজস্ব সুন্দরবন ব্যাঘ্র প্রকল্পের। বাকি ৪০০ টি ক্যামেরা দিয়ে সাহায্য করছে ডাবলু ডাবলুএফ।

close