আসানসোলে চা চক্রকে ঘিরে রণক্ষেত্র!

জোনাকি পণ্ডিত: আসানসোলের বার্নপুরে রণক্ষেত্র। আবারও দিলীপ ঘোষকে লক্ষ্য করে স্লোগান ওঠে ‘খেলা হবে’। এই নিয়ে তুমুল বচসা বেঁধে যায় তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মীদের মধ্যে।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশবাহিনী।

 

বুধবার আসানসোলের বার্নপুর বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় বিজেপি চা চক্রের আয়োজন করা হয়। এতে যোগ দেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল-সহ অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্ব। চা চক্র সভা শেষ হতেই তৃণমূল কর্মীরা হাজির সেখানে। অভিযোগ, দিলীপ ঘোষ যখন গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন, সেই সময় তৃণমূল কর্মীরা তাঁর উদ্দেশ্যে কটূক্তি করে বলেন, ‘খেলা হবে’, ‘দিলীপ ঘোষ মুর্দাবাদে’র মতনও নানা স্লোগান দিতে থাকেন তারা। তৃণমূল কর্মীদের স্লোগানের বিরোধিতা করেন গেরুয়া শিবিরের কর্মী-সমর্থকরা। এই নিয়েই বাঁধে ঝামেলা।

 

পুলিশ গিয়ে দু’পক্ষকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বেশ কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। কী কারণে বিক্ষোভ, তা স্পষ্ট করেছেন খোদ তৃণমূল কর্মীরাই। দলীয় কর্মী সৈকত দে দাবি করেছেন, ত্রিপুরায় প্রতিনিয়ত বিজেপির আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হামলার শিকার তৃণমূল । তার প্রতিবাদেই দিলীপ ঘোষ এবং অগ্নিমিত্রা পলের সামনে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। তবে স্থানীয় মানুষরা তৃণমূলের বিক্ষোভকে সমর্থন করেছে বলেই দাবি ঘাসফুল শিবিরের।

 

পাশাপাশি এই ঘটনার সরব হয়েছেন বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল। রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ‘কথা নেই বার্তা নেই তৃণমূল কর্মীরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। কীসের বিক্ষোভ? কাজের কাজ করুন। চারিদিকে দুর্নীতি। নার্স, চিকিত্‍সকরা অনশনে বসে আসেন। শিশু বিক্রি করা হচ্ছে। হোমে যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন মহিলারা। নিজের কাজটা আগে করুন। তারপর বিক্ষোভ।’ এমনকি বিক্ষোভকারী তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ‘গুন্ডা’ বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।

 

close