আজ এই কাজগুলো অবশ্যই করবেন

জোনাকি পন্ডিত: সপ্তাহের সাত দিন একেক জন দেবতার পুজো করা জন্য বরাদ্দ। হিন্দু শাস্ত্র মতে বিশেষ দিনে সেই বিশেষ দেবতার পুজো করলে ফল মেলে অনেক বেশি। যেমন মঙ্গলবার হনুমান জির পুজো করলে পারিবারিক শান্তি কখনও দূরে পালায় না। শুধু তাই নয়, খারাপ দৃষ্টির প্রভাবও কমতে শুরু করে। মেলে আরও অনেক উপকার। সনাতন ধর্মেই রয়েছে মঙ্গলবার মনে করে কিছু কাজ করতে হবে আপনাকে৷ তাহলেই সাফল্য অবধারিত৷ এখন দেখে নিন কী কী করবেন-

১. টানা এগারোটি মঙ্গলবার সন্ধেবেলায় হনুমানজির মূর্তির সামনে সর্ষের তেল দিয়ে প্রদীপ জ্বালান।

২ . হনুমানজির সামনে প্রদীপ জেলেই তার পর হনুমান চাল্লিশা পাঠ করুন।

৩. এ দিন আমিষ খাবার না ছোঁয়াই ভালো।

৪. প্রতি মঙ্গলবার ঘুম থেকে উঠে স্নান করে শুদ্ধ বস্ত্র পরে ও রাম দূতায় নমো এই মন্ত্রটি একশো আটবার জপ করুন।

৫. এই এগারোটি মঙ্গলবারের মধ্যে রামায়ণ পাঠ শেষ করবেন।

৬. প্রতি মঙ্গলবার হনুমান যে সামনে লাড্ডু ভোগ হিসেবে নিবেদন করবেন এবং সেই ভোগ সকলের মধ্যে বিলিয়ে দেবেন।

৭. অনেকেই কু প্রভাব পড়েন তাঁদের ওপর এ ক্ষেত্রে হনুমান চালিশা সাহায্য করে।

৮. কারও বাড়িতে দোষ থাকলে বা শনির প্রভাবে গ্রহদোষ হলে তাঁর সহজে কাটতে চায় না এ ক্ষেত্রে হনুমান চালিশা এবং হনুমান ঠাকুরের পুজো অনেক কাজে আসে।

৯. বাড়িতে ঢোকার আগেই পঞ্চমুখী হনুমানের ছবি রাখুন এবং প্রতিদিন ধূপ ধুনো দিয়ে পুজো দিন সংসারে কারও কু নজর পড়বে না।

১০. কর্মক্ষেত্রে বাধা বা সাফল্য আটকে যায় অনেক সময় কিন্তু সেই বাধা দূর করতে হনুমান চল্লিশা পাঠ বিশেষভাবে সাহায্য করে।

১১. কোনও মহিলা যদি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পাঁচটি প্রদীপ জ্বালান এবং লক্ষ্য রাখতে হবে যে প্রদীপের মুখগুলো যেন উত্তর দিকে থাকে৷ বলা হয় লক্ষ্মী ও কুবের দেবের দিক হল উত্তর দিক৷ প্রদীপ জ্বালানোর আগে হনুমান চালিশা পাঠ করুন এবং হনুমানজির কাছে মঙ্গল কামনা করুন৷ বলা হয় এতে সংসারের আর্থিক উপার্জন কয়েকগুণ বেড়ে যাবে৷

close