করোনার নতুন স্ট্রেন থেকে রেহাই পেল না ভারত!

জোনাকি পণ্ডিত: করোনার এই নতুন প্রজাতি বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলছে। গোটা বিশ্বের কাছে নয়া আতঙ্ক ওমিক্রন । দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনার এই নয়া প্রজাতির খোঁজ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।ইতিমধ্যেই বেঙ্গালুরুতে দক্ষিণ আফ্রিকার দুই নাগরিকের শরীরে মিলেছে করোনা ভাইরাস। তবে কি এবার ভারতেও ঢুকে পড়ল করোনার এই নতুন প্রজাতি? উদ্বেগের মুখে গোটা দেশবাসী।

শনিবার ওই দুই দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকের শরীরে মেলে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি। বেঙ্গালুরু গ্রামীণের ডেপুটি কমিশনার কে শ্রীনিবাসন বলেন, “পয়লা নভেন্বর থেকে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত ৯৪ জন দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে বেঙ্গালুরুতে এসেছেন। তাঁদের মধ্যে ২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া গিয়েছে। বিপদজ্জনক তালিকাভুক্ত দেশ থেকে এখনও ভারতে এসেছে ৫৮৪ জন।” তবে এখনই উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। দুই নাগরিকের স্যাম্পেল পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। সেইসাথে তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

এদিকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক করোনা ভাইরাসের বি.‌১.‌১.‌৫২৯ ভ্যারিয়ান্টের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে। দক্ষিণ আফ্রিকা, হংকং এবং ইজরায়েলে এই নতুন করোনার ভ্যারিয়েন্ট B.1.1.529 পাওয়া গিয়েছে। এই দেশগুলি থেকে আসা এবং ট্রানজিট করা সমস্ত আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের “কঠোর স্ক্রিনিং এবং পরীক্ষা” করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেইসাথে NICD জানিয়েছে যে করোনা ভাইরাসের এই নতুন রূপের নাম B.1.1.529। দক্ষিণ আফ্রিকা সরকার NGS-SA-এর সদস্য সরকারি পরীক্ষাগার এবং বেসরকারি পরীক্ষাগারগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে যে জিনোম সিকোয়েন্সিং করার। এতে জানা সহজ হবে যে এই ভ্যারিয়েন্টটি কতটা ছোঁয়াচে, কতটা বিপজ্জনক ও ক্ষতিকর।

তবে জানা গেছে এই প্রজাতির হাই মিউটেশন ক্ষমতা রয়েছে। যা দেশের জনস্বাস্থ্যের উপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে। স্বাস্থ্য মন্ত্রক বলেছে, বিশেষত এমন সময়ে যখন ভিসা বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক ভ্রমণ শুরু হচ্ছে তখন সংক্রমণের মাত্রা বাড়তে পারে।

close