জল্পনা অব্যহত চেয়ার নিয়ে

জোনাকি পণ্ডিত: ২০২২ শের পুরভোটে মেয়র পদপ্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি তৃণমূল কংগ্রেস। স্বাভাবিকভাবে রাজ্য রাজনীতি জুড়ে প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ফিরহাদ হাকিমই কি ফের মেয়র হচ্ছেন? প্রসঙ্গত পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ফলপ্রকাশের পর জনপ্রতিনিধিরা দলের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে এ ব্যাপারে ফিরহাদ হাকিম বলেন,”আমি দলের অনুগত সৈনিক।”

২০০৫ সালে ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় সেইসময় সুব্রত বাবু তৃণমূলে ছিলেন না। সেবার ঘাসফুলের হার। ২০১০ সালে মেয়র হন শোভন চট্টোপাধ্যায়। ২০১৫ সালেও চিত্রটা একই ছিল। তিনিই তখন ছিলেন কলকাতার তৃণমূলের মুখ। ২০১৮ সালের নভেম্বরে শোভন মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর ফিরহাদ বসেন ওই চেয়ারে। কাউন্সিলর না হয়েও মেয়র হন তিনি। সেই ক্ষেত্রে অবশ্য আইনেও আনা হয় বদল। ৬ মাসের মধ্যে নির্বাচিত হয়ে আসার বিধি যুক্ত করে সরকার। মেয়র থাকতে ৮২ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী হন ফিরহাদ। এবারও প্রার্থী হয়ে সেখানেই দাড়ালেন তিনি। তবে মেয়র পদপ্রার্থী তাঁকে করেনি দল? ফিরহাদের কথায়,”দল যে দায়িত্ব দেবে তা-ই নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব। আমি দলের অনুগত সৈনিক। নেত্রীই জীবনের আদর্শ।” প্রার্থী তালিকা নিয়ে দীর্ঘ ক্ষণ বৈঠক চলেছে কালীঘাটে। সে প্রসঙ্গে তিনি জানান,”প্রত্যেকের মতামতে নেওয়া হয়েছে। আমরা সবাই মত দিয়েছে। মমতা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী।”

কলকাতা পুরসভার মেয়র পদে ফিরহাদই আবার বসেন কি না টা স্পষ্ট হবে ফলপ্রকাশের পরেই। তৃনমূলের ‘এক ব্যক্তি এক পদ’ এক্ষেত্রেও কতটা খাটবে সেটাই দেখার। তৃণমূল অন্দর সূত্রে খবর, করোনা পরিস্থিতি যেভাবে কলকাতায় সামাল দেওয়া গিয়েছে তাতে অভিজ্ঞদের উপরেই আস্থা রাখছেন তৃণমূল নেত্রী। সেই ভরসা প্রতিফলিত হয়েছে ৬ বিধায়কের পুরভোটে লড়াইয়ের ঘোষণায়।

close